শিরোনাম

যেভাবে শুরু হয় এসএসএফ

 প্রকাশ: ৩১ মে ২০২১, ০৭:৪২ অপরাহ্ন   |   এসএসএফ




নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের অনেকে বলেছেন, সরকার বা রাষ্ট্র প্রধান হওয়ার পরও ঢাকায় ধানমন্ডির যে বাড়িতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান থাকতেন, নিরাপত্তার বিবেচনায় রাস্তার পাশে সেই বাড়িটি নিরাপদ ছিল না। ৩২ নম্বর সেই বাড়িতে কোনো ব্যক্তির প্রবেশ করার ক্ষেত্রেও তেমন কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হতো না।


নিরাপত্তা বিশ্লেষক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগ্রেডিয়ার সাখাওয়াত হোসেন  বলেন,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান   স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা ছিলেন বলেই হয়তো তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে সেভাবে ভাবেননি। শেখ মুজিবের শাসনামলের শেষদিকে ১৯৭৫ সালের জুলাই মাসে প্রেসিডেন্টস গার্ড রেজিমেন্ট নামে সেনাবাহিনীতেই নতুন একটি ইউনিট করা হয়েছিল। কিন্তু সেটিও রাষ্ট্র বা সরকার প্রধান বা ভিভিআইপিদের নিরাপত্তার জন্য বিশেষায়িত কোনো বাহিনী ছিল না।
জেনারেল এরশাদ ক্ষমতায় এসে উদ্যোগ নেন একটি বিশেষায়িত বাহিনী গঠনের। যখন প্রেসিডেন্ট এরশাদ  আসলেন, (দক্ষিণ) কোরিয়ান প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা যেভাবে দেয়া হয়, তাদের আদলে একটা নতুন প্রোগ্রাম নেয়া হলো। আমাদের কিছু অফিসার সেসময় দক্ষিণ কোরিয়ায় যান। সেখানকার প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা বাহিনী কিভাবে তৈরি হয়েছে, তারা সেটা দেখে আসেন। পরবর্তীতে এটা আরও বিস্তৃত হয় এবং আমেরিকাতে ইউনাইটেড স্টেট সিক্রেট সার্ভিস যেভাবে তৈরি, সেভাবে এই বাহিনীটাকে পুনর্গঠন করতে আমাদের কিছু অফিসার আমেরিকায় যায়, প্রশিক্ষণ নেয়। পরবর্তীতে সম্পূর্ণ সেই আদলেই এই বাহিনীটা গড়ে ওঠে। এখন এটা একটা পরিপূর্ণ ইনস্টিটিউশন হিসেবে গড়ে উঠেছে। সেই বাহিনী এখন স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স বা এসএসএফ নামে কাজ করছে।

এসএসএফের সাবেক এই সাবেক মহাপরিচালক জানান, এসএসএফ এখন নিজেরাই নিজেদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে। নিরাপত্তা দেয়ার জন্য গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের নিজস্ব ব্যবস্থাও তারা গড়ে তুলেছে।